এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, বিদায়ী ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ছোটদের বক্তব্য, ছাত্রদের বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকের বক্তব্য, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকের বক্তব্য, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য, বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য বাংলা, বড় ভাইদের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষকের বক্তব্য, এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, এস এস সি বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য pdf, বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য বাংলা, ছাত্রদের বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য, স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, একজন শিক্ষকের বক্তব্য, এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকের বক্তব্য, Ssc বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য বাংলা, ছাত্রদের বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষকের বক্তব্য, Hsc বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য, Ssc বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য 2023, এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা,
বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের জন্য এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য
নিয়ে লিখলাম আশা করি তোমাদের উপকারে আসবে ।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীর বক্তব্য

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, আসসালামু আলাইকুম । আমি আমার বিদায়ী বক্তব্যের
শুরুতেই মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানিত সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি,
সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ও আমার সহপাঠী ও সম্মানিত সুধীজন সবাইকে জানাচ্ছি শ্রদ্ধা ও
ভালোবাসা ।
আজকের দিনটি আমাদের জন্য স্বাভাবিকভাবেই বেদনাবিধুর, দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনার পাঠ
চুকিয়ে আমরা আজ দীর্ঘদিনের প্রাণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছেড়ে বিদায় নিতে যাচ্ছি ।
তবে এই বিদায় একদিকে যেমন বেদনার তেমনি অন্যদিকে সম্ভাবনার । কারণ এই চলে যাওয়া
সামনের আরো উচ্চতর শিক্ষার হাতছানির ডাকে নিজেকে আরো যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য
এগিয়ে যাওয়া ।
আজকের দিনটিতে আমার মনে পড়ছে এই তো সেদিন আমরা নবীন ছিলাম, আমাদেরকে বরণ করার
জন্য যেনো সাজ সাজ রবে ভরে উঠেছিলো বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ ।

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানের কবিতা

আজ হাটি হাটি পা পা করে এই বিদ্যলয়ে আমরা অগ্রজ হয়ে উঠেছি, আমাদের বিদায় নেবার
সময় হয়েছে । আমার সুকান্ত ভট্টাচার্যের সেই কবিতার চরনখানি বারবার মনে পড়ছে আজ–
এসেছে নতুন শিশু,
তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ,
মৃত আর ধ্বংসস্তুপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের ।
চলে যাব-তবু আজ যতক্ষণ
দেহে আছে প্রাণ প্রাণপণে
পৃথিবীর সবার জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার
। 
এই বিদ্যালয়ের দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় শিক্ষকদের যে ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেয়েছি তা
অনন্য, সময়ে সময়ে পেয়েছি কড়া শাসন যে আমরা আমাদের পথ থেকে বিচ্যুত না হই ।
See also  ভাষণ বা বক্তৃতা দেয়ার নিয়ম

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য

আমাদের সম্মানিত শিক্ষকেরা যে সুন্দর স্বপ্ন আমাদের দেখিয়েছেন মানুষের মতো মানুষ
হয়ে দেশসেবায় নিয়োজিত হতে পারি সেই স্বপ্নের মর্যাদা আমরা আমাদের হৃদয়ে বহন করছি
যেনো এই বিদ্যালয় ও শিক্ষকদের সম্মান রাখতে পারি তাঁর জন্য সকলের কাছে আকুল
চিত্তে দোয়া চাইছি । আপনারা আমাদের প্রার্থনায় রাখবেন ।
আমরা যারা সহপাঠী রয়েছেন, যারা অনুজ ভাই বোন রয়েছেন তাঁদের সাথে দীর্ঘদিনের
স্মৃতি সহজেই ভুলে যাবার নয় । সকলের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শুভ কামনা ।
পরিশেষে আজকের এই বিদায়ের ঘনঘটায় সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ
প্রিয় সহপাঠী ও স্নেহের অনুজ সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে আমার
বক্তব্য শেষ করছি কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের একটি কবিতার প্রিয় দুটি চরন
দিয়ে- 
হয়তো আমার এ পথে আর হবে নাকো আসা
দুয়ারে যাই রোপন করে বুকের ভালোবাসা ।
ধন্যবাদ সবাইকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *